
স্টাফ রিপোর্টার :
দাদী কে হত্যা করে নাতনিকে ধর্ষণ: দুই জনের মরদেহ উদ্ধার।
দাদি এবং নাতনি এক ঘরে ঘুমাতো। বাবা-মা ঘুমাতো অন্য ঘরে। গতকাল বাবা তার বড় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল।
এই সুযোগটাকেই কাজে লাগায় একদল পাষবিক পশু।
গতকাল রাতে হুট করেই অনেকগুলো লোক তাদের ঘরে ঢুকে পড়ে এবং নাতনি জামিলাকে জোরজবরদস্তি করে ধ*র্ষণ করতে চায়।
দাদি সুফিয়া খাতুন পাশেই ঘুমিয়ে ছিলেন। তিনি জোরজবরদস্তির আওয়াজে টের পেয়ে যান এবং নাতনিতকে বাঁচাতে যান।
দাদি বাঁচাতে আসায় পাষবিক লোকগুলো আগে দাদিটাকে আঘাত করা শুরু করে। হাতে পায়ে আঘাত করা সহ পুরো শরীরে কোপায় দাদিকে।
দাদি সুফিয়া খাতুনের বয়স ৬৫ বছর। এত বয়স্ক শরীরে এতগুলো লোকের সাথে আর পেরে উঠে না।
পরে দাদিকে নির্মমভাবে কু*পিয়ে সেখানেই মেরে ফেলে এবং নাতনি জামিলাকে টেনেহিঁচড়ে ঘরের বাইরে নিয়ে যায়।
এতক্ষণে তাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে আশেপাশের বাড়ির লোকজন এসে দাদি সুফিয়া খাতুনকে র*ক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে। র*ক্তে পুরো ঘর ভিজে একাকার অবস্থা।
দাদির এ বীভৎস অবস্থা দেখে প্রতিবেশীরা জামিলাকে খুঁজতে শুরু করে। অন্য যে ঘরটা ছিল তারা প্রথমে সেখানে খুঁজে কিন্ত পায় না। তারপর বাড়ির আশেপাশের ঝোপঝাড়ে খুঁজে সেখানেও পায় না।
তারা বুঝতে পারে নাতনি জামিলাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তার সাথেও বাজে কিছু ঘটেছে। গতকাল রাত পর্যন্ত তারা আর জামিলাকে খুঁজে পায়নি।
আজকে সকালে স্থানীয় এক লোক প্রথমে সরিষাক্ষেতে একটা লা*শ দেখতে পায়। লা*শের জামাকাপড় ছিন্নভিন্ন করা, হাতে-পায়ে ,চোখেমুখে দাগের চিহ্ন।
পরে প্রতিবেশীদের জানালে তারা এসে জামিলাকে চিনতে পারে। তারা জামিলার শরীরের বীভৎস অবস্থা দেখে বুঝতে পারে তাকে অনেককজন মিলে গণধ*র্ষণ করা হয়েছে, তারপর জোরজবরদস্তি করে মেরে ফেলে রেখে গেছে।
পাষবিক লোকগুলোর টার্গেটই ছিল জামিলার বাড়িতে গিয়ে তাকে ধ*র্ষণ করবে। কিন্তু দাদি টের পেয়ে যাওয়ায় দাদিকে নির্মমভাবে কু*পিয়ে খু*ন করেছে তারপর জামিলাকে ধ*র্ষণ করে হ*ত্যা করেছে।
পাষবিক লোকগুলোর একটাকেও এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ। স্থানীয় লোকজনদের মতে প্রভাবশালী ব্যতিত কারো এমন সাহস হবে না যে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধ*র্ষণ করে মেরে ফেলবে। তাদের মতে প্রভাবশালী অনেকেই এটার সাথে জড়িত আছে।
মাত্র দুদিন আগেই রামপুরায় তাহেদিকে গণধ*র্ষণ করা হলো, তারপর নরসিংদীতে আমেনাকে ধ*র্ষণ করা হলো। আজকে পাবনায় মাত্র ১৫ বছরের মেয়ে জামিলাকে দাদির কাছ থেকে নিয়ে ধ*র্ষণ করে মেরে ফেলা হলো।



