
কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম:
দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিমের উস্তি ব্লক উন্নয়ন বোর্ড এর অধীনে কালিকাপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে তুল্লনের ঐতিহাসিক কাঠের ব্রিজ দাঁড়িয়ে আছে ভাঙাচোরা অবস্থায়।এই কাঠের ব্রিজ পেরিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে জীবন ও জীবিকার তাগিদে কৃষি জমিতে।
সেই সঙ্গে ইস্কুল ও কলেজ এর কয়েক শত ছাত্র ও ছাত্রীরা এই কাঠের ব্রিজ পেরিয়ে ইস্কুল ও কলেজ যাতায়াত করে।এই ভাঙাচোরা কাঠের ব্রিজ নিয়ে হেলদেল নেই স্হানীয় উস্তি ব্লক উন্নয়ন বোর্ড এর।এই ব্রিজ তৈরির লক্ষে বহুবার চেষ্টা করছে কালিকাপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাদিক হোসেন মোল্লা।
কিন্তু আজ কোন অকারনেই ভেঙে চুরে চুরমার হয়ে গেছে এই ঐতিহাসিক কাঠের ব্রিজ। প্রতিদিন উত্তর কুসুম গ্রাম পঞ্চায়েতের ও কালিকা পোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের এবং মন্দির বাজার বিধান সভার কয়েক হাজার মানুষ এই কাঠের ব্রিজ পেরিয়ে যাতায়াত করে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকার তাগিদে কৃষি জমিতে চাষ বাদ করতে প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার করছে নারী ও পুরুষরা।
এই ব্রিজের দুর্দশা নিয়ে কালিকা পোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাদিক হোসেন মোল্লা কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন যে এই ব্রিজের দুর্দশা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন স্হানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য আতিয়ার রহমান লস্করের সাথে, খুব শিগগিরই এই ব্রিজ তৈরির লক্ষে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ শুরু করবো।
এই ব্রিজের দুর্দশা নিয়ে কালিকা পোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সমিতির ভূমি ও বন মন্ত্রণালয়ের কর্মধক্ষ্য রহমাতুল্লাহ লস্কর বলেন যে এই ব্রিজের বেহাল দশা নিয়ে ইতিমধ্যেই তিন তিন বার ইঞ্চিয়ার এসে দেখে গেছেন।
দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু হবে। কালিকা পোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য আতিয়ার রহমান লস্কর বলেন যে তিনি নিজের উদ্যোগে বহুবার এই ব্রিজের কাজ করছেন। মাঝে মাঝে বর্ষার সময় খারাপ হয়ে যায়। তবে তিনি এই ব্রিজ তৈরির লক্ষে এগিয়ে আসার খবর দিয়েছেন।এই গ্রামের বাসিন্দা ও পঞ্চায়েতের সদস্য আতিয়ার রহমান লস্কর এর পুত্র রাজা লস্কর বলেন যে তার বাবা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে এবং কৃষিজীবী মানুষের কথা চিন্তা করে বহুবার চেষ্টা করে এই ব্রিজের কাজ করেছেন নিজের উদ্যোগে।
কিন্তু কিছু অসাধু মানুষ এই ব্রিজের মূল্যবান কাঠ খুলে নিয়ে বাড়ির কাজে লাগিয়ে ব্যাবহার করছেন। তিনি বলেন যে তার বাবা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে যত দ্রুত সম্ভব এই মূল্যবান ব্রিজের কাজ শুরু করবেন। তার আশা সাধারণ মানুষের সহযোগিতা পেলে অবশ্যই এই ব্রিজ তৈরির লক্ষে এগিয়ে আসবেন।



