
সাজ্জাদ তুহিন নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলে সুসানের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির আয়োজনে নড়াইল ২ আসনের সংসদ প্রার্থীদের জনতার মুখোমুখি আলোচনা সভায় দূর্নীতির বিরুদ্ধে শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় নড়াইল চৌরাস্তায় সুসাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) কমিটির আয়োজনে নড়াইল শহরের চৌরাস্তায় কার্যালয়ের সমনে দূর্নীতির বিরুদ্ধে ও জনতার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলনে এ জনতার মুখোমুখি আলোচনা সভা ও সপথ বাক্য পাট করান নড়াইল কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান।
এ-সময় জনগণের মুখোমুখি’ সংলাপে সভাপতিত্ব করেন, নাগরিক (সুজন) নড়াইল জেলা কমিটির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মল্লিক। সঞ্চালনায় ছিলেন, সুজন নড়াইল জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাপ্তাহিক নড়াইল কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক কাজী হাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সুজন-এর খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রঞ্জু।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নাগরিক সুজন নড়াইল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান লাভু উপস্থিত প্রার্থী ও জনগণকে স্বাগত জানিয়ে সুজনের এ ধরনের কর্মসূচির উদ্দেশ্য তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ভোটারদের সচেতন ও সক্রিয় করতেই এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই- সুজনের এই দৃষ্টিভঙ্গি সামনে রেখেই প্রার্থীদের জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে জবাবদিহিতার পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।
সংলাপে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত এ জেড এম ডক্টর ফরিদুজ্জামান (প্রতীক: ধানের শীষ) বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী (কলস) প্রতীকের আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম, জামায়াত ইসলামের দাড়ি পাল্লা প্রতিকের আতাউর রহমান (বাচ্চু), বাংলাদেশ খেলাফাত আন্দোলন পাখা প্রতীকের প্রার্থী অধক্ষ্য মাওলানা তাজুল ইসলাম , জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের এ্যাডভোকেট ফায়েক উজ্জামান ফিরোজ, সতন্ত্র প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন,(জাহাজ প্রতিক) মুক্তি জোটের প্রার্থী মো: শোয়েব আলী,
গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. নূর ইসলাম অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন।
জনগণের মুখোমুখি এই সংলাপে এলাকার ভোটাররা প্রার্থীদের উদ্দেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করেন। উল্লেখযোগ্য কিছু প্রশ্ন ছিল-সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে প্রার্থীরা ৯৪ নড়াইল-২ আসনের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ রাখবেন এবং জনগণ কি সরাসরি তাঁদের কাছে সমস্যার কথা বলতে পারবেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের প্রতি তাঁদের মূল দায়িত্ব কী এবং সেই দায়িত্ব তাঁরা কীভাবে পালন করবেন, নির্বাচিত হলে এলাকার জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিতে কোন পাঁচটি কাজ সর্বপ্রথম করবেন, নড়াইল-২ আসনের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে এমপি হিসেবে তাঁদের ভূমিকা কী হবে এবং তাঁদের মতে একজন এমপির সরাসরি প্রকল্প বাস্তবায়নে জড়ানো উচিত, নাকি মন্ত্রণালয়ের কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে কি না তদারকি করে জনগণের অংশগ্রহণ।
এর আগে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে অবহেলিত নড়াইলের উন্নয়নে অঙ্গীকার করলেন নড়াইল-২ আসনের উপস্থিত সকল সংসদ সদস্য প্রার্থীরা।



