
কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম:
গতকাল গভীর রাতে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে কাজের খোঁজে গিয়ে সেখানকার উগ্রপন্থীদের হাতে নিহত হয় পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিমের রঙ্গীলা বাদ অঞ্চলের বাসিন্দা মঞ্জুর আলম।
আজ যখন তার মৃতদেহ নিয়ে আসে তখন গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। এবং নিহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন ভারতের লোকসভার সদস্য ও মথুরাপুর লোকসভা র এম পি শ্রী বাপি হালদার এবং মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা এবং মগরাহাট পশ্চিমের ব্লক উন্নয়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান শ্রী সব্যসাচী গায়েন ও মগরাহাট পশ্চিমের ব্লক উন্নয়ন বোর্ড এর সদস্য তৌফিক আহমেদ মোল্লা ওরফে বাচ্চু।
একই সঙ্গে নিহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল কংগ্রেস এর যুব সভাপতি ইমরান হাসান মোল্লা এবং মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল কংগ্রেস এর নেতা ও কালিকা পোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাদিক হোসেন মোল্লা ও মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল কংগ্রেস এর অবজার্ভার সামিম আহমেদ।আজ যখন মৃত দেহ নিহতের বাড়িতে আসে তখন কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার।
তবে কি কারণে এই তরুণ যুব কাজ করতে গিয়ে উগ্রপন্থীদের হাতে নিহত হয়েছেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিন পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পুলিশের ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ সুপার শ্রী বিশপ সরকার আই পি এস ও ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জোনাল শ্রী সন্দীপ গৌর আই পি এস ও ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের অধীনে উস্তি থানার দক্ষ পুলিশ অফিসার ইনচার্জ শ্রী রাহুল মন্ডল ইতিমধ্যেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অন্ধ্রপ্রদেশে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলেছে।
আজ সকালে নিহত দেহ দাফন করা হয়। এবং হাজার হাজার মানুষ তার জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে দিনের পর দিন পশ্চিম বাংলার বাইরে থাকা পরিযায়ী শ্রমিক উপর জুলুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে তা কি ভাবে প্রতিহত করা যায় তা সুনিশ্চিত করতে চাইছে পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পরিযায়ী শ্রমিক উপর জুলুম ও নির্যাতনের এবং হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।কারণ পশ্চিম বাংলার বাইরে বিহার ও উড়িষ্যা মধ্যপ্রদেশ রাজস্থানে ও মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানা ও দিল্লি অন্ধ্রপ্রদেশে বিভিন্ন যায়গায় কাজে যাওয়া রাজমিস্ত্রি এবং গার্মেন্টস শ্রমিক ও ফেরিওয়ালা এবং অন্যান্য কাজে যাওয়া মানুষের উপর জুলুম নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্রী রাহুল মন্ডল তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। এবং কি কারণে মঞ্জুর আলম লস্কর কে পিটিয়ে মারা হয়েছে তা সুনিশ্চিত করতে চাইছে পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
আজ সকালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা এবং মথুরাপুর লোকসভা র এম পি বাপি হালদার এবং মগরাহাট পশ্চিমের তৃনমূল কংগ্রেস এর অবজার্ভার সামিম আহমেদ এবং উস্তি ব্লক উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান শ্রী সব্যসাচী গায়েন নিহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের কে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পরবর্তীতে নিহত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।



