শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিরোনাম:
নড়াইলে মাছের ঘেরে গোসল করতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু ডুমুরিয়ায় ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ  নড়াইলে সড়ক দূর্ঘটনায় যুবক নিহত সাতক্ষীরা-য় কৃষক দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  শ্রীপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে গরুসহ গোয়াল পুড়ে ছাই  দেশ বাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন  সংসদ সদস্য এ্যাড. বিপ্লব হাসান ফুলবাড়ীতে স্বপ্নসিঁড়ি সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালিত নড়াইলে দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ মোংলায় ইউথ এ্যাম্বাসেডর এর মিটিং অনুষ্ঠিত শ্রীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান রাজনকে বিজয়ী সংবর্ধনা যশোরে অটোরিকশায় সন্তান প্রসব মণিরামপুরে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের স্বীকার হয়ে ৫ মাসের অন্তঃসত্তা- আটক ২ শপথ নিলেন শ্যামল সজীব শাবানা মোস্তফা ফিলান্সিং ইনস্টিটিউটে ওসি সুমন তালুকদারের মতবিনিময় হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন ডুমুরিয়ায় ইউপি সদস্যকে মারপিট করে  ভিজিএফ-এর কার্ড  সহ টাকা ও চেন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ সবুজ পৃথিবী উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিউবওয়েল স্থাপন বঙ্গবন্ধু গোলকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ভালুকায় ভূমিসেবা বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা ডুমুরিয়ায় কলেজ শিক্ষকের বাসা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার মনিরামপুরে অনলাইন জুয়াখেলায় ব্যবহৃত ৪টি মোবাইল ফোনসহ ৪ জুয়াড়ি আটক সমাজসেবায় সায়েদ আলীর সম্মাননা অর্জন শার্শায় ফেনসিডিলসহ আটক-১ নড়াইলে পুলিশ সদস্যের লিঙ্গ কাটল কে শার্শায় ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জ শ্রীপুর উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাজন সহ ৩ সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণ  মণিরামপুরে ১২৮ টি ভুমিহীন পরিবারের হাতে তুলে দিলেন আশ্রয়ণ প্রকল্প(০২) এর ঘর খুলনায় সপ্তাহব্যাপী কোরবানির পশুর হাট উদ্বোধন শ্রীপুরে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলার শুভ উদ্বোধন মণিরামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

ঈদ কে সামনে রেখে ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক, ভাল ধান হওয়ায় অতিরিক্ত তাপেও খুশিতে কাটছেন ধান

উপজেলা / জেলা-প্রতিনিধি / ১৬ বার পড়া হয়েছে
সময় শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৩২ অপরাহ্ন

তহিদুল ইসলাম যশোর//
যশোর মণিরামপুর উপজেলায় ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় অতিরিক্ত রৌদ্র-ও যেনো হার মানছে কৃষকের কাছে,স্বপ্ন দেখছে ভালো ভাবে ধান ঘরে উঠানোর,কেউ কেউ ঈদ কে সামনে রেখে ধান কেটে সেই ধান বিক্রি করে সন্তানের নতুন পোশাক কিনতে চায়।হাকোবা গ্রামের কয়েক জন কৃষক রমেশ মন্ডল শিব পদ রায়,পীর আলী গাজী,শামসুর রহমান,গোলাম হোসেন,ওমর আলী,আঃ গফফার, আঃ রফিক,ফারুক হোসেন, দৈনিক আশ্রায় প্রতিদিন কে জানায় এবার বেশি একটা ঝড়ো হাওয়া হয়নি,ফলে ধানের গাছ ঠিকঠাক থাকায় ধান পুষ্টিকর হওয়ায় কাঠা প্রতি ৫০/ থেকে ৬০কেজি পর্যন্ত ধান হবে বলে আশা করেন।তবে বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ায়,সেচ মালিকদের দিতে হবে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।যাহা গত মৌসুমের চেয়ে দ্বিগুণ।বীজ তলা থেকে শুরু করে ধান রোপন করা পর্যন্ত সার কীটনাশক সহ বিভিন্ন খরচ দাড়িয়েছে কাঠা প্রতি ৯০০ শত টাকা। ধান ঘরে আনতে খরচ দাঁড়াবে মন প্রতি প্রায় ১১/১২ শত টাকা।বাজার মুল্য যদি সঠিক থাকে, তাহলে আগামীতে বেশি ধান চাষ করবেন বলে জানিয়েছেন চাষীরা।শ্যামকুড় ইউনিয়নের কৃষক রফিক, মেহেদী পারভেজ,মাসুদ রানা আবু রায়হান, জাহাঙ্গীর হোসেন,মহিদুল ইসলাম সহ অনেক কৃষক গণমাধ্যম কে জানায় আমরা এবার বেশি ফলন পেয়েছি,আল্লাহ রহমতে এবার লাভবান হবো।
হরিদাসকাটি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য প্রণাব কুমার বিশ্বাস জানায় এবার কুচলিয়া দেবাশীষ এর মৎস্য ঘেরের ধান, দেড়শো বিঘা জমিতে মাত্র আধা কেজি পটাশ সারে বাম্পার ফলন হয়েছে গত দুই বছর জলবদ্ধতার কারণে ফসল হইনি।এবার বৃষ্টি না হওয়ায় ভবদহ এলাকায় অনেক জমিতে ধান চাষ করেছে।ভাল ধান হওয়ায় লাভজনক হবে বলে আশা করছে হরিদাস কাটি ইউনিয়নে পূর্ব অঞ্চলের কৃষক। মণিরামপুর পশ্চিম অঞ্চল এনায়েতপুর শৈলী তেতুলিয়ার মাঠে ধান কাটা কালিন আলমগীর হোসেন নামে এক কৃষকের সাথে ধান চাষের বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি গণমাধ্যম কে জানায় ২বিঘা পাঁচ কাঠা ধান চাষ করেছি অন্য বারের তুলনায় এবার ধান ভালো হয়েছে।ইনশাআল্লাহ এবার কাঠা প্রতি ৫০/৬০ কেজি ধান ছাড়িয়ে যাবে আশা করি। নেহালপুর ইউনিয়নের মোল্যা পাড়ার জালাল মোল্যা গণমাধ্যম কে জানায় এবার ধান অন্য বারের তুলনায় অনেক বেশি পুষ্টিকর কাঠা প্রতি ৫০/৬০ কেজি করে হবে বলে আঁশা করি।ঝাপা ইউনিয়নের রাকিব হোসেন জানায় আমাদের ঝাপা বাওড়ের দুই ধার দিয়ে ধান চাষ করেছে।
অল্প খরছে এবার ধান বাম্পার ফলন হয়েছে।চালুয়াহাটী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য, আমজেদ আলী জানায় আমাদের মাঠে ধান বাম্পার ফলন হয়েছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমাদের মোবারক পুর মাঠ জুড়ে ধান চাষ হয়েছে।সরকার বিনা মুল্যে সার,বীজ দিয়েছিলেন অনেক কৃষক কে।বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকা কালিন সারের জন্য হাহাকার ছিলো টাকা দ্বিগুণ হলেও মেলেনি সার।সেখানে আমাদের মমতাময়ী মা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আমলে সারের জন্য দিতে হয়নি লম্বা লাইন।সার কেনার জন্য দিতে হয়নি মোটা অংকের অর্থ। বিএনপি সরকার আমলে সারের কার্ড করার জন্য দিতে হতো ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা।সেখানে আমাদের প্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কৃষকের দোর গরায় সার পোচ্ছে দিয়েছেন।এখন সারের জন্য খেতে হয়না গুলি,দিতে হয় না জীবন। আমরা কৃষক আমরা ধান চাষ করি সেই ধানের চাউল দেশের সব জায়গায় যাই।আমরা সরকারের নিকট আশা করি তিনি ধানের নেয্য দাম নির্ধারণ করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

একাধিক নিউজ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর
error: Content is protected !!