
ভারত থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম:
আজ সকালে সারা ভারতে শান্তিপূর্ণভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়। তবে নামাজের পর ভারতের মুসলিম উম্মাহর শান্তিপ্রিয় মানুষ দেশজুড়ে ওয়াকাফ সম্পত্তি দখল, মসজিদ-মাদ্রাসা, খানকা শরিফ ও গোরস্থানের জমির ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।
ভারতের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম সংগঠন জমিয়তে উলামা হিন্দের নেতা জনাব আশরাফ মাদানী ও মাওলানা মাহমুদ মাদানী, সারা ভারত ইসলামী সংগঠন ইত্তেহাদুল মুসলেমিন, জামায়াতে ইসলামীর পশ্চিমবঙ্গ আমীর ডাঃ মশিউর রহমান, ফুরফুরা শরীফের পীরজাদারা এই প্রতিবাদে শামিল হন।
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে ওয়াকাফ সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, জামায়াতে ইসলামী, ফুরফুরা দরবার শরীফের পীরজাদা এবং খিদিরপুর খানকা শরীফের পীর সাহেবগণ এতে অংশ নেন।
বিশেষত, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের ঘোলা নওয়াপাড়া ও বাহিরগাছি গ্রামে ঈদুল ফিতরের নামাজের পর প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও উপস্থিত ছিলেন।
বহিরগাছি ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট জমিয়তের নেতা লিয়াকত হোসেন, ডাঃ নুরুদ্দিন, হাজী কামারউদ্দিন, মুফতি সাবির আলী কাসেমী। এছাড়াও ঘোলা নওয়াপাড়া গ্রামের ঈদুল ফিতরের নামাজের পর ওয়াকাফ সম্পত্তি দখলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট পশ্চিম জামায়াতের সেক্রেটারি জনাব ফরিদুল ইসলাম সর্দার, মনোয়ার হোসেন মোল্লা, ইদুজ্জামান মোল্লা, মাওলানা শামসুল আলম, ইসমাইল সর্দারসহ অন্যান্য জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
মগরাহাট পশ্চিমের মহিলা জামায়াতের পক্ষ থেকে সাবেক শিক্ষিকা কেশিদা বেগম ও মহিলা জামায়াতের অন্যতম প্রধান পরিচালক সিফা লায়লা প্রতিবাদ জানান।
এই অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী, জামায়াত কর্মী ও মিলন মোড় মসজিদের মাতোয়ালী ডাঃ তারিকুজ্জামান সেখ।