নড়াইলে সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নে পুড়াডাংঙ্গা গ্রামে ফুল চাষে সাফল্য আলামিনের ফুল বাগান দেখতে শতশত মানুষের ভিড়।
গত ২৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) বিকালে সরজমিন প্রদর্শনে নড়াইলের একঝাঁক তরুন সাংবাদিক দের উপস্থিতে দেখা যায় সেই যশোরের বহুল আলোচিত গদখালির ঐতিহ্যবাহী ফুলের চাষের সমাহার।সেখানে যেমন গোলাপ,রজনীগন্ধা, জাভেরিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির বিদেশি ফুলের চাষ হয়, ঠিক তেমনি এ বছর প্রথমবারের মতো এখানেও ফুলের চাষ শুরু হয়েছে।
প্রায় আড়াই একর জমিতে ফুলচাষ করে সকলের নজর কেড়েছেন এই ফুলের ব্যবসায়ী আলামিন। তার এই ব্যাতিক্রমি উদ্যোগ দেখতে প্রতিনিয়ত ছুটে আসছে ফুলপ্রেমী দর্শনার্থীরা। জানা যায় নড়াইলের কোথাও এমন ফুলের আবাদ ছিল না। এই বছরে সর্বপ্রথম সদর উপজেলার কৃষক আলামিন ফুল চাষে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজ জমির প্রায় আড়াই একর জমিতে ফুলচাষ আরম্ভ করে।
সেখানে গালভেরা, রজনীগন্ধা, গোলাপসহ বিভিন্ন জাতের ফুলের চাষ হচ্ছে। আল-আমিন ঢাকা রাজধানী তে আগে থেকে নিজেও একজন ফুল ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত। ফুল ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি অনেক সুনাম অর্জন করেছেন।
তিনি ফুলচাষে তথ্য-উপাত জেনেছেন এবং সেই সঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তার সঙ্গে নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করছেন। ফুলচানী আলামিন মোল্লা বলেন, আমি এ বছর প্রথমবারের মতো ফুলচাষ করেছি। আশা করছি লাভবান হবো। ইতোমধ্যে অনেক ফল বাজারে বিক্রি হয়েছে। তার ফল বাগানে ৬ থেকে ৮ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজও করে যাচ্ছেন।
আল-আমীন এর ফুল চাষের বিষয়ে নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্ত রোকনুজ্জামান বলেন, এই ফুল চাষকে কিভাবে আরো বেগমান করা যায় সকলকে ফুল চাষে আগ্রহী করা যায়, সেই বিষয়ে আমরা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি নড়াইলে যেমন অনন্য ফসলে যথেষ্ট অগ্রসর হয়েছে ফুল চাষে ও ভবিষ্যত দিনগুলোতে আরো বেশি অগ্রসর হবে। তিনি আরও জানান, সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আমরা আলামিনকে সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।